Windows 10 নিয়ে আমাদের আগ্রহের শেষ নেই। অবশেষে আমরা পেয়েছি, কাঙ্ক্ষিত Windows 10। ইতোমধ্যেই অনেকে আপডেটেড হয়েছেন Windows7/Windows8 থেকে Windows 10 এ। ফেসবুকে আপডেটেড ডেক্সটপের স্ক্রিনশর্ট শেয়ার করতেও আমাদের ভুল হয়নি। Windows 10 আপডেট নেয়ার সময় যে রোমাঞ্চ তৈরি হয়েছিলো তা থেকে তৈরি হয়েছে অনেক গল্প-কাহিনী, এসব নিয়ে সোশাল মিডিয়া এখনো বেশ গরম। Windows 10 নিয়ে আমাদের নানামুখী কর্মকান্ড। কেউ কেউ আবার লেখালেখিও শুরু করে দিয়েছেন সুবিধা আর বেসুবিধা (অসুবিধা) নিয়ে। কাইদা-বেকাইদা (টিপস এন্ড ট্রিক্স) নিয়েও কেউ কেউ মুখ খুলছেন। Windows 10 দিয়ে এই করলে সেই হয় আরো কতো কি। নিন্দুকেরা তদন্ত কমিটি বসিয়ে শুরু করেছেন দোষ ট্রুটি বার করার প্রকল্প।
এতক্ষণ তো ঠিকই ছিলো কিন্তু " Windows 10 এখন সম্পূর্ণ ফ্রি ! " ভাবা যায়।
ভাবা যায়!
বিল গেটস কাকুর শুনেছি মেলা টাকা পয়সা। উনার টাকা দিয়ে নাকি চাদে যাওয়ার রাস্তা ১৪ বার বানানো যাবে, তাই দান আর সমাজ সেবার জন্যও ভালোই খরচ করেন কাকু। তাই বলে Windows 10 ফ্রি ! না ভাই ঘটনা কিছু একটা নিশ্চই আছে!
অসীম কুমারের আজ কি হলো? তবে কি আজ সে পাইরেটেড Windows 10 নিয়ে লিখতে শুরু করলো?
শুধু তাক করবো, গুলি করবো না
একটু মজা করলাম, সবার সাথে। অনেক দিন পর লিখছি তো, তাই হাতটা একটু গরম করে নিলাম। আসুন বিষয়বস্তুর দিকে নজর দেয়া যাক।
আমি একটুও মিথ্যা বলিনি। আমি যে উইন্ডোজ10 এর কথা বলছি তা হচ্ছে Windows 10 IoT Core। উইন্ডোজ 10 এর এই সংস্করণটি তৈরি করা হয়েছে এমবেডেড ডিভাইস সমূহের জন্য যেমন Raspberry Pi 2, MinnowBoard Max ইত্যাদি।
যারা হার্ডওয়্যার ডেভলপমেন্ট,রোবটিক্স,কন্ট্রোল সিস্টেম ডেভলপমেন্ট ইত্যাদি বিষয়ে গবেষণা করেন তাদের জন্যই বিশেষভাবে তৈরি করা হয়েছে Windows 10 IoT Core।
আশা করা হচ্ছে Windows 10 IoT Core গবেষণার ক্ষেত্রে নতুন মাত্রা যুক্ত করতে সক্ষম হবে। হার্ডওয়্যার প্রগ্রামিং, ইমেজ প্রসেসিং, সেন্সর সিগন্যাল প্রসেসিং,কমপ্লেক্স কন্ট্রোল সিস্টেম ডিজাইন,ভার্চুয়াল রিয়েলিটি,সিমুলেটর ডিজাইন, একাধিক ক্যামেরা নিয়ন্ত্রণ, ইত্যাদি কাজ অনেক সহজ করতে সক্ষম হবে Windows 10 IoT Core।
আগে Raspberry Pi তে লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করা হতো। Microsoft ইতোমধ্যেই Arduino এর পার্টনার হিসেবে ওপেনসোর্স হার্ডওয়্যারের উন্নয়নে কাজ করার ঘোষণা দিয়েছে। তাই আমরা সামনে অরো অসংখ্য হার্ডওয়্যার শিল্ড এবং মডিউল পেতে যাচ্ছি যা আমাদেরর গবেষণা কার্যক্রমে ভিন্নমাত্রা নিয়ে আসবে। Raspberry Pi তে Windows 10 IoT Core ব্যবহার করার মাধ্যমে খুব সহজেই ইন্টারনেট একসেস, ব্লুটুথ কমিউনিকেশন, ওয়াই-ফাই কমিউনিকেশন নিয়ে কাজ করা যাবে।এই টেকনোলজি গুলো রোবটিক্সে ব্যবহার করে অারো ইন্টেলিজেন্ট রোবট তৈরি করা যাবে।
কথায় কথায় ভুলেই গিয়েছি, কিভাবে Windows 10 IoT Core ডাউনলোড করা যাবে বলতে। Windows 10 IoT Core ডাউনলোড করার জন্য http://ms-iot.github.io/content/en-US/Downloads.htm এ একবার ঘুড়ে আসতে পারেন। অথবা http://go.microsoft.com/fwlink/?LinkId=619755 থেকে সরাসরি ডাউনলোড করতে পারেন।
আসুন Raspberry Pi, কিবোর্ড,মাউস,মনিটর,USB হাব যুক্ত করে আজই তৈরি করি নিজের Windows কম্পিউটার। আর আপনি যদি Windows Developer Program এর পার্ট হিসেবে হার্ডওয়্যার নিয়ে কাজ করতে চান তাহলে রেজিস্ট্রেশন করতে পারেন।
এর মতো এডভান্সড প্রজেক্ট সমূহ তৈরি করতে Raspberry Pi তে Windows 10 IoT Core ব্যবহার করা হয়েছে। আপনি ইচ্ছা করলে নিজেও প্রজেক্ট তৈরি করে, প্রজেক্টের বর্ননা প্রকাশ করতে পারেন।
ভিডিওটিতে দেখানো হয়েছে Raspberry Pi তে Windows 10 IoT Core ব্যবহার করে কিভাবে একটা রোবট তৈরি করে কন্ট্রোল করা যায়।
কম্পিউটারে মাউস দিয়ে ছোটখাট কাজ করাটা সাধারণ কম্পিউটার ব্যবহারীদের জন্য খুবই আরামদায়ক ও সহজতর। কিন্তু বড় ও জটিল সফটওয়্যারে কাজ করতে হলে দক্ষতা ও গতি বাড়াতে অবশ্যই কি-বোর্ড শর্টকাট জানতে হবে। অভ্যস্ত না হলেও চেষ্টা করে দেখুন, সাধারণ এমএস ওয়ার্ডে লেখালেখির সময়ও কিছু শর্টকাট জানা থাকলে কাজে গতি কতো বেড়ে যায়।
এখানে এমন ১০০শ`র বেশি শর্টকাটের একটি তালিকা দেয়া হলো:
Keyboard Shortcuts (Microsoft Windows) 1. CTRL+C (Copy) 2. CTRL+X (Cut) 3. CTRL+V (Paste) 4. CTRL+Z (Undo) 5. DELETE (Delete) 6. SHIFT+DELETE (Delete the selected item permanently without placing the item in the Recycle Bin) 7. CTRL while dragging an item (Copy the selected item) 8. CTRL+SHIFT while dragging an item (Create a shortcut to the selected item) 9. F2 key (Rename the selected item) 10. CTRL+RIGHT ARROW (Move the insertion point to the beginning of the next word) 11. CTRL+LEFT ARROW (Move the insertion point to the beginning of the previous word) 12. CTRL+DOWN ARROW (Move the insertion point to the beginning of the next paragraph) 13. CTRL+UP ARROW (Move the insertion point to the beginning of the previous paragraph) 14. CTRL+SHIFT with any of the arrow keys (Highlight a block of text) SHIFT with any of the arrow keys (Select more than one item in a window or on the desktop, or select text in a document) 15. CTRL+A (Select all) 16. F3 key (Search for a file or a folder) 17. ALT+ENTER (View the properties for the selected item) 18. ALT+F4 (Close the active item, or quit the active program) 19. ALT+ENTER (Display the properties of the selected object) 20. ALT+SPACEBAR (Open the shortcut menu for the active window) 21. CTRL+F4 (Close the active document in programs that enable you to have multiple documents opensimultaneou sly) 22. ALT+TAB (Switch between the open items) 23. ALT+ESC (Cycle through items in the order that they had been opened) 24. F6 key (Cycle through the screen elements in a window or on the desktop) 25. F4 key (Display the Address bar list in My Computer or Windows Explorer) 26. SHIFT+F10 (Display the shortcut menu for the selected item) 27. ALT+SPACEBAR (Display the System menu for the active window) 28. CTRL+ESC (Display the Start menu) 29. ALT+Underlined letter in a menu name (Display the corresponding menu) Underlined letter in a command name on an open menu (Perform the corresponding command) 30. F10 key (Activate the menu bar in the active program) 31. RIGHT ARROW (Open the next menu to the right, or open a submenu) 32. LEFT ARROW (Open the next menu to the left, or close a submenu) 33. F5 key (Update the active window) 34. BACKSPACE (View the folder onelevel up in My Computer or Windows Explorer) 35. ESC (Cancel the current task) 36. SHIFT when you insert a CD-ROMinto the CD-ROM drive (Prevent the CD-ROM from automatically playing) Dialog Box – Keyboard Shortcuts 1. CTRL+TAB (Move forward through the tabs) 2. CTRL+SHIFT+TAB (Move backward through the tabs) 3. TAB (Move forward through the options) 4. SHIFT+TAB (Move backward through the options) 5. ALT+Underlined letter (Perform the corresponding command or select the corresponding option) 6. ENTER (Perform the command for the active option or button) 7. SPACEBAR (Select or clear the check box if the active option is a check box) 8. Arrow keys (Select a button if the active option is a group of option buttons) 9. F1 key (Display Help) 10. F4 key (Display the items in the active list) 11. BACKSPACE (Open a folder one level up if a folder is selected in the Save As or Open dialog box) Microsoft Natural Keyboard Shortcuts 1. Windows Logo (Display or hide the Start menu) 2. Windows Logo+BREAK (Display the System Properties dialog box) 3. Windows Logo+D (Display the desktop) 4. Windows Logo+M (Minimize all of the windows) 5. Windows Logo+SHIFT+M (Restorethe minimized windows) 6. Windows Logo+E (Open My Computer) 7. Windows Logo+F (Search for a file or a folder) 8. CTRL+Windows Logo+F (Search for computers) 9. Windows Logo+F1 (Display Windows Help) 10. Windows Logo+ L (Lock the keyboard)
আমরা যারা উইন্ডোজ ১০ ইনস্টল করেছি তারা হয়ত জানেন না আপনার উইন্ডোজ ১০ টি ট্রায়াল ভার্সন ইনস্টল করেছি। আপনার পিসি অন হওয়ার পর উইন্ডোজ ১০ এক্টিভেট করতে বলছে। এই সমস্যা হয়ত অনেকের মধ্যেই হয়ে থাকে সমস্যা যখন আছে এর সমাধানও আছে!!! তাই আজকের এই পোস্টে উইন্ডোজ ১০ এক্টিভেশনের দুটি পদ্ধতি দেখানো হবে। আপনার যেটা সহজ মনে হবে সেটি ব্যবহার করবেন।
উইন্ডোজ ১০ পারমানেন্ট এক্টিভেশন
আপনারা উইন্ডোজ ১০ কে দুইভাবে এক্টিভেশন করতে পারবেন প্রথম প্রক্রিয়ায় থাকবে কমান্ট(CMD) প্রম্পট ব্যবহার করে উইন্ডোজ ১০ এক্টিভেশন এবং দবতীয় প্রক্রিয়ায় থাবে Microsoft KMS (Key Management Server) হ্যাকিং সফটওয়্যার দিয়ে এক্টিভেশন। যাহোক যে প্রক্রিয়াতেই উইন্ডোজ ১০ এক্টিভেট করি না কেন আমাদের প্রয়োজন হবে উইন্ডোজ ১০ এর অরিজিনাল সিরিয়াল নাম্বার। আপনার চিন্তার কোন কারন নে!!! নিচের থেকে উইন্ডোজ ১০ এর ভার্সন অনোযায়ী সিরিয়াল নাম্বার সগ্রহকরে এক্টিভেট করে নিন।
Operating System Edition
KMS Client Setup Key
Windows 10 Home
NKJFK-GPHP7-G8C3J-P6JXR-HQRJR
Windows 10 Professional
W269N-WFGWX-YVC9B-4J6C9-T83GX
Windows 10 Professional N
MH37W-N47XK-V7XM9-C7227-GCQG9
Windows 10 Enterprise
NPPR9-FWDCX-D2C8J-H872K-2YT43
Windows 10 Enterprise N
DPH2V-TTNVB-4X9Q3-TJR4H-KHJW4
Windows 10 Education
NW6C2-QMPVW-D7KKK-3GKT6-VCFB2
Windows 10 Education N
2WH4N-8QGBV-H22JP-CT43Q-MDWWJ
Windows 10 Enterprise 2015 LTSB
WNMTR-4C88C-JK8YV-HQ7T2-76DF9
Windows 10 Enterprise 2015 LTSB N
2F77B-TNFGY-69QQF-B8YKP-D69TJ
আপনি যদি নতুন করে উইন্ডোজ ১০ ইন্সটল দেন তাহলে উপরের সিরিয়াল নাম্বার ব্যবহার করে এক্টিভেট করে নিন। এই সিরিয়াল নাম্বার দিয়েই উইন্ডোজ ১০ এর সারাজীবনের জন এক্টিভ করে নিব।
উইন্ডোজ ১০ কমান্ড প্রম্পট (CMD) এর সাহায্যে প্রক্রিয়া
এই প্রক্রিয়া যেকোন উইন্ডোজ ১০ এক্টিভেট করা যাবে। এক্টিভেট প্রক্রিয়া ধাপে ধাপে দেখানো হল। আশা করি সফল হবেন।
ধাপ ১ঃ প্রথমে স্টার্ট মেনু থেকে কমান্ড প্রম্পটটি এডমিন হিসেবে রান করান।
ধাপ ২ঃ এবার কমান্ড প্রম্পটি নিচের ছবি মত দেখতে পারবেন।
ধাপ ৩ঃ এবার slmgr /ipkW269N-WFGWX-YVC9B-4J6C9-T83GX এই লেখাটি কপি করেন। এখানে দেখুন লাল চিহ্নিত অংশটি হল সিরিয়াল নাম্বার। আপনি উইন্ডোজ ১০ যে ভার্সন ব্যবহার করতে চান উপর থেকে সেটির সিরিয়াল নাম্বার ব্যবহার করুন। এবার কপি করা লেখাটি কমান্ড লাইনে পেস্ট করুন এবং এন্টার চাপুন। তারপর কিছুক্ষন অপেক্ষা করেন তাহলে নিচের মত আসবে।
ধাপ ৩ঃ এবার এখান থেকে slmgr /skms kms.xspace.in এই লেখাটি কপি করেন এবং কমান্ড প্রম্পটি তে পেষ্ট করেন এবং এন্টার চাপুন। তারপর কিছুক্ষন অপেক্ষা করেন নিচের ছবির মত আসবে।
ধাপ ৪ঃ এবার এখান থেকে slmgr /ato কপি করেন এবং কমান্ড প্রম্পটিতে পেষ্ট করুন এবং এন্টার চাপুন নিচের ছবির মত আসবে।
ধপা ৫ঃ উইন্ডোজ ১০ এক্টিভেশ হওয়ার পর আপনার কম্পিউটারে প্রোপারটস বের করুন এবং দেখুন উইন্ডোজ ১০ হয়ে গেছে। নিচের ছবির মত দেখাবে।
ব্যাস হয়েগেল আপনার উইন্ডোজ ১০ সারাজীবনের জন্য এক্টিভেশন।
উইন্ডোজ ১০ মেডিসিন ফাইলে সাহায্যে এক্টিভেশন
উইন্ডোজ ১০ এর জন্য এখানে থেকে মেডিসিন ফাইলটি ডাউনলোড করে্নিন। তারপর মেডিসিন ফাইল্টিকে এডমিন হিসেবে রান করান। মেডিসিন ফাইলটি রান হলে নিচের ছবি মত আসবে।
এরপর এক্টিভেট ইউন্ডোজ বাটনে ক্লিক করেন এবং কিছু সময় অপেক্ষা করুন।তাহলেই দেখবেন ইউন্ডোজ এক্টিভেট হয়ে গেছে। আশা করি এভাবে আপনি সহজেই উইন্ডোজ ১০ সারাজীবনের জন্য এক্টিভেট করে নিতে পারবেন। পোস্টটি ভালো লাগলে শেয়ার করার মাধ্যমে সবাইকে জানার এবং ইউন্ডোজ সহজভাবে এক্টিভট করার সুযোগ করে দিন।